• সুজানগর-উপজেলার-লেখকবৃন্দের-বইসমূহ
    বই পর্যালোচনা,  সাহিত্য

    সুজানগর উপজেলার লেখকবৃন্দের বইসমূহ

    সুজানগর উপজেলার লেখকবৃন্দের বইসমূহ:   লেখকবৃন্দের জন্ম তারিখের ক্রমানুসারে তালিকাটি সাজানো হয়েছে। ১. মাওলানা রইচ উদ্দিন  কোরআনের বাণী মরুবীণা সিন্ধু ও বিন্দু মুর্শিদাবাদ ভ্রমণ বিলাপ ২. মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন লোকসাহিত্য: হারামনি শিরণী (১৯৩২ খ্রি.) হাসি অভিধান বাংলা ইডিয়ম সংকলন (১৯৫৭ খ্রি.) উপন্যাস: সাতাশে মার্চ বঙ্গ সাহিত্যের ইতিহাস: বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা, ৩খণ্ড (১৯৮১ খ্রি.) গানের সংকলন: শত গান (১৯৬৭ খ্রি.) ইরানের কবি (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ) আওরঙ্গজেব (অনুবাদ, ১৯৭০ খ্রি.) রূপকথা সংকলন: ঠকামি (১৯৫৯ খ্রি.) মুসকিল আসান (২য় সংস্করণ ১৯৫৯ খ্রি.) অন্যান্য: হাসির পড়া (১৯৬৩ খ্রি.) ৩. মোহাম্মদ আবিদ আলী হাদিসের গল্পগুচ্ছ কোরানের গল্পগুচ্ছ ওসয়াতুল হাসনা চালাকি আমাদের জৈন ৪. মুহম্মদ খোয়াজউদ্দিন…

  • সুজানগরের-নামকরণের-ইতিহাস
    উপজেলার ইতিহাস,  সুজানগর উপজেলা

    সুজানগরের নামকরণের ইতিহাস

    সুজানগরের নামকরণের ইতিহাস   পাবনা জেলার সুজানগরের পূর্বনাম ছিল গোবিন্দগঞ্জ। মোগল সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালের শেষভাগে তার পুত্রদের মধ্যে রাজ সিংহাসনের দখল নিয়ে যে বিরোধের সূত্রপাত হয় তার ধারাবাহিকতায় যুবরাজ শাহ সুজা আরাকানে পালিয়ে যান। তিনি আরাকানে গমনকালে সুজানগরে ৩ রাত অবস্থান করেন। যুবরাজ শাহ সুজার এই অবস্থানকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য এতদঞ্চলের মানুষ এ জনপদের নামকরণ করেন সুজানগর। রাধারমণ শাহা তার ‘পাবনা জেলার ইতিহাস’ গ্রন্থে লিখেছেন, “মোগল আমলে শাহ সুজা একদা ঢাকা গমন সময়ে পদ্মাতীরে এখানে কিয়ৎদিনের জন্য অবস্থান করেন, তখন হইতে এই স্থানের নাম সুজানগরে পরিণত হইয়াছে।” মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছায় তার ছোটবেলার বন্ধু, ঘনিষ্ঠ সহচর ও প্রধান সেনাপতি…

  • সুজানগর-উপজেলার-ইতিহাস
    উপজেলার ইতিহাস,  সুজানগর উপজেলা

    সুজানগর উপজেলার ইতিহাস

    সুজানগর উপজেলার ইতিহাস   মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় পুত্র ছিলেন বাংলার সুবেদার শাহ সুজা। শাহ সুজার স্মৃতি বিজড়িত সুজানগর পাবনা জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা। এটি পদ্মা নদীর তীরবর্তী পাবনা শহর থেকে ২০ কি.মি. পূর্বে অবস্থিত। পাবনা জেলার অন্যতম বৃহত্তম উপজেলা হলো সুজানগর। অতি প্রাচীনকালে তথা বৌদ্ধযুগে সুজানগর অঞ্চল পৌণ্ড্রবর্ধন বিভাগের অধীনে ছিল। সে সময় অধিকাংশ অঞ্চল ছিল জলমগ্ন। পাল ও সেন আমলে এই অঞ্চল বরেন্দ্র ভূমির আওতাভুক্ত ছিল। পাল শাসনামলে করমজা ও বরাট গ্রামের নাম, যশ ও গৌরব প্রচারিত ছিল। মোগল শাসনামলে এই অঞ্চল সুবা বাংলা সরকার, পরগণার আওতাভুক্ত ছিল। ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দের ১৬ অক্টোবর রাজশাহী জেলা থেকে পাবনা, শাহজাদপুর, রায়গঞ্জ,…

error: Content is protected !!