• সরদার-জয়েনউদ্দীন-২য়-পর্ব
    কামারহাট,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সরদার জয়েনউদ্দীন (২য় পর্ব)

    সরদার জয়েনউদ্দীন (২য় পর্ব) সাহিত্য কর্ম: জীবিকা অর্জনের পাশাপাশি সরদার জয়েনউদ্দীন স্বীয় জীবনকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন বিচিত্র প্রেক্ষাপটে। কখনো আনন্দে, কখনো বেদনায়, কখনো অপমান, উপেক্ষায়, আবার কখনো সম্মানের বরমাল্যে। গ্রামে জন্মেছিলেন তিনি, তাই গ্রামের মানুষকে নিয়ে রচিত তাঁর গল্প-উপন্যাস পাঠক হৃদয়কে নিবিড়ভাবে স্পর্শ করে। এ কারণেই পঞ্চাশ দশকে রচিত গ্রামীণ ক্যানভাসে চিত্রিত তাঁর গল্পগুচ্ছ বিপুলভাবে পাঠকনন্দিত। চেনা চরিত্র এবং চেনা কাহিনীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে তাঁর অসাধারণ গল্প সম্ভার। অতি সাধারণ, অতি তুচ্ছ, অতি ক্ষুদ্র অবহেলিত গ্রামের জনমানুষ তাঁর অধিকাংশ গল্পের কুশীলব। তিনি যাদের অন্তরঙ্গ আলোকে দেখেছেন, যাদের নিবিড়ভাবে চিনেছেন, কথাশিল্পে সেসব চরিত্র নিয়ে তাঁর কায়কারবার। গ্রামের মানুষের সুখ-দুঃখ, ব্যথা-বেদনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা…

  • সরদার-জয়েনউদ্দীন-১ম-পর্ব
    কামারহাট,  নাজিরগঞ্জ,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সরদার জয়েনউদ্দীন (১ম পর্ব)

    সরদার জয়েনউদ্দীন (১ম পর্ব )   বিশ শতকের পঞ্চাশের দশকে, ভাষা ও সংস্কৃতির ক্রান্তিকালে বাংলা সাহিত্যে সরদার জয়েনউদ্দীনের দীপ্র আবির্ভাব। কথাসাহিত্যের ভ‍ূবনে একটি উজ্জ্বল নাম সরদার জয়েনউদ্দীন। সাংবাদিকতা এবং সাহিত্যের জগতে সরদার জয়েনউদ্দীন সর্বদা ছিলেন প্রগতির পক্ষে, মানবতার পক্ষে। একসময়, পঞ্চাশ-ষাটের দশকে, ঢাকার সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চায় অবশ্য উচ্চার্য নাম ছিল সরদার জয়েন উদ্দীন, কিন্তু পরিবর্তমান রুচি ও সমাজ স্রোতে এখন তিনি প্রায়-বিস্মৃত এক নাম। তবে যারা সৎ পাঠক, তাদের চেতনায় জয়েনউদ্দীন সর্বদা জেগে থাকবেন। কেননা তার সাহিত্যে আছে গণমানুষের মুক্তি-আকুতির কথা। তিনি ছিলেন একাধারে একজন ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও সম্পাদক। তিনিই বাংলাদেশে বইমেলার প্রবর্তক।  বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমি…

error: Content is protected !!