• অধ্যাপক-মুহম্মদ-মনসুরউদ্দীন-৩য়-পর্ব
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গবেষক,  মুরারীপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাগরকান্দি,  সাহিত্য

    অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন (৩য় পর্ব)

    অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন (৩য় পর্ব)   সম্মাননা: বাংলাদেশ ফোকলোর পরিষদ, লালন পরিষদ (কেন্দ্রীয় সংসদ), লালন একাডেমী (কুষ্টিয়া), হরিশপুর লালন একাডেমী, পাঞ্জু শাহ সেবা সংস্কৃতি সংঘ ইত্যাদি সংস্থার উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষকরূপে মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন আজীবন কাজ করে গেছেন। ১৯৭৮ সালের ৯ মার্চ বাংলাদেশ ফোকলোর পরিষদ অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীনকে সংবর্ধিত করে। অমূল্য সব কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দেশে-বিদেশে পেয়েছেন অনন্য সব সম্মান, স্বীকৃতি, সংবর্ধনা, পদক। বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন- বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৫ খ্রি.) শেরে বাংলা জাতীয় পুরস্কার ও স্বর্ণপদক (১৯৮০ খ্রি.) মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮২ খ্রি.) একুশে পদক (১৯৮৩ খ্রি.) নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক (১৯৮৩ খ্রি.)  স্বাধীনতা পদক (১৯৮৪ খ্রি.)  রবীন্দ্র…

  • গোলাম-রহমত-আলী-চিশতি
    চরদুলাই,  দুলাই,  সাহিত্য

    গোলাম রহমত আলী চিশতি

    গোলাম রহমত আলী চিশতি   লোকসংগীত শিল্পী গোলাম রহমত আলী চিশতি ১৯০৫ সালের ১লা জানুয়ারি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের  চরদুলাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হাশেম প্রামাণিক এবং মাতার নাম আমেনা খাতুন।    বাল্যকাল থেকেই গানের প্রতি তাঁর ছিল বিশেষ ঝোঁক, কোনো গানের দল এলাকার আশেপাশে এলেই ছুটে চলে যেতেন, তাদের গান শুনতেন, নিজে গুনগুনিয়ে গাইতেন। তবে ১৯৩৬ সালের গানের হাতেখড়ি শুরু হয় আহম্মদ ইউনিয়নের  চরগোবিন্দপুর গ্রামের ওস্তাদ গুপী শাহের হাত ধরে। এরপর তিনি যাত্রাপালায় গান ও হারমোনিয়াম মাস্টার হিসেবে নিয়মিত হন। তিনি অভিনয় জগতেও নিজের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছিলেন, বেহুলা-লক্ষীন্দর পালায় তিনি লক্ষীন্দরের ভূমিকায় অভিনয়…

error: Content is protected !!