প্রকৌশলী মো. আলতাব হোসেন, সাহিত্য সংস্কৃতি এবং সমাজ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিবেদিত অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংগঠন "আমাদের সুজানগর"-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং "আমাদের সুজানগর" ওয়েব ম্যাগাজিনের সম্পাদক ও প্রকাশক। সুজানগর উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাহিত্য, শিক্ষা, মুক্তিযুদ্ধ, কৃতি ব্যক্তিবর্গ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে ভালোবাসেন। বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করে বর্তমানে একটি স্বনামধন্য ওয়াশিং প্লান্টের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেকশনে কর্মরত আছেন। তিনি ১৯৯২ সালের ১৫ জুন পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত হাটখালী ইউনিয়নের সাগতা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

  • ড.-এ-বি-মো-মির্জ্জা-আজিজুল-ইসলাম
    আহম্মদপুর,  কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গবেষক,  দূর্গাপুর (আহম্মদপুর),  লেখক পরিচিতি,  শিক্ষাবিদ

    ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম

    পাবনার বরেণ্য সন্তান ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞ। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনা, বাণিজ্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলামের প্রত্যক্ষ প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। পাবনা জেলার যে কয়জন ব্যক্তিকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি তাদের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে অন্যতম একজন। জন্ম: ড. এ বি মির্জ্জা মোঃ আজিজুল ইসলাম ১৯৪১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: পিতা মরহুম আলহাজ্জ্ব মির্জা আব্দুর রশীদ। চার ভাই ও তিন বোন। আরও পড়ুন জ্যোতির্বিজ্ঞানী…

  • সুমনা-নাজনীন
    লেখক পরিচিতি,  সাগরকান্দি,  সাগরকান্দি (গ্রাম),  সাহিত্য

    সুমনা নাজনীন

    সুমনা নাজনীন একজন কবি, কথাসাহিত্যিক ও সমাজকর্মী। গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা, কোট, অণুকবিতা লেখার সমস্ত শাখায় তাঁর বিচরণ। বর্তমানে তিনি একজন আন্তর্জাতিক লেখক হিসাবে পরিচিত। তিনি রাশিয়ান ও আলবানিয়ান ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় কবিতা ও গল্প অনুবাদ করেছেন। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষাতেই লেখেন। জন্ম: সুমনা নাজনীন ১৯৭৭ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত সাগরকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: সুমনা নাজনীনের বাবা রহমত আলী ফকির বুয়েট থেকে রিটিয়ার্ড করেছেন, মা নাজমুন নাহার গৃহিনী। তাঁরা দুই ভাই বোন, তিনি ছোট। স্বামী মিডিয়া কন্সালটেন্ট ও সংগঠক। তাঁদের সংসারে দুই ছেলেমেয়ে। তারা নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। আরও পড়ুন…

  • মোহাম্মদ-সেলিমুজ্জামান
    গুপিনপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাতবাড়িয়া,  সাহিত্য

    মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান

    মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান   সদালাপী এবং জীবনবাদী কথাশিল্পী মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান। তিনি কবি, কথাশিল্পী ও গবেষক হিসেবে সমাজে সমধিক পরিচিত। বর্তমানে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) এর পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)  হিসেবে কর্মরত আছেন। জন্ম: পদ্মার পলিমাটি বিধৌত শ্যামল বাংলার প্রকৃতির সাথে বেড়ে ওঠা মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের গুপিনপুর গ্রামের সন্তান। সম্ভান্ত মুসলিম প্রামাণিক পরিবারে ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি-তে  তাঁর জন্ম। পারিবারিক জীবন: পিতা মহির উদ্দিন প্রামানিক ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা (শহীদ), মাতা মরহুমা হাজেরা খাতুন। ছয় ভাই বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। পিতামহ কফিল উদ্দিন প্রামাণিক ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। স্ত্রী জাফরিন আক্তার,…

  • আমার-বাবা
    আত্মজীবনী,  আহম্মদপুর,  দ্বারিয়াপুর,  সাহিত্য

    আমার বাবা

    আমার বাবা তাহমিনা খাতুন   আমার বাবা মরহুম খন্দকার আবুল কাসেম। আমার বাবার শিশুকালটি শুরু হয়েছিল নিতান্তই দুঃখের মধ্য দিয়ে! অত্যন্ত অল্প বয়সে আমার আব্বা তাঁর ছোট দুই ভাই বোনসহ পিতৃ-মাতৃহীন হন। এতিম তিন শিশু তাঁদের নানী এবং খালাদের স্নেহ-মমতায় লালিত পালিত হন। আমার বাবার কাছে শুনেছি ওনার নানী খালারা আরবী এবং ফারসী শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন। আব্বা তাঁর নানী খালাদের নিকট আরবী এবং ফারসী ভাষায় শিক্ষাগ্রহণ করেছিলেন, তবে আব্বার বাংলা ভাষাতেও চমৎকার দখল ছিল। তাঁর বাংলা হাতের লেখা এবং ভাষাশৈলী ছিল অত্যন্ত গোছালো এবং পরিপক্ক। আব্বার সুনিপুণ হস্তাক্ষর এবং ভাষাশৈলী ছিল যে কোন উচ্চ শিক্ষিত মানুষকে চমৎকৃত করার মতো। আব্বার…

  • মোহাম্মদ-আবিদ-আলী-২য়-পর্ব
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গোপালপুর (ভায়না),  ভায়না,  মাদ্রাসা,  লেখক পরিচিতি,  শিক্ষকবৃন্দ,  শিক্ষাবিদ,  সাহিত্য

    মোহাম্মদ আবিদ আলী (২য় পর্ব)

    মোহাম্মদ আবিদ আলী (২য় পর্ব)   মোহাম্মদ আবিদ আলীর ‘হাদীসের গল্পগুচ্ছ’ গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছিলেন সুজানগর উপজেলার আরেক কৃতি সন্তান লোকসাহিত্য বিশারদ মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন। ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে লিখিত ভূমিকাটি- “ইসলাম ধর্ম সভ্য সমাজে সুপরিচিত। ইসলাম  ধর্মের পয়গম্বর হজরত মুহম্মদ (সা.)। আরব দেশে সর্বপ্রথম এই শ্রেষ্ঠ পয়গম্বরের বাণী প্রচারিত হয়েছিল। আরবেরা তখন অসভ্য এবং সভ্য জগত হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে নানা পাপাচারে লিপ্ত হয়ে জীবন যাপন করত। সেদেশে এবং সে জাতির মধ্যে হজরত মুহম্মদের অভ্যুদয় একটি পরম বিস্ময়ের ব্যাপার। আরও অধিক বিশ্বয়ের কথা এই যে তাঁর একক এবং আপ্রাণ চেষ্টার ফলে ইসলামের তৌহিদ-বাণী সমগ্র আরব দেশে পরিগৃহীত হয়েছিল; বর্বর আরবজাতি নব উন্মাদনায় দুর্বার…

  • মুহাম্মদ-আবিদ-আলী
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  ভায়না,  ভায়না (গ্রাম),  মাদ্রাসা,  লেখক পরিচিতি,  শিক্ষকবৃন্দ,  শিক্ষাবিদ,  সাহিত্য

    মোহাম্মদ আবিদ আলী (১ম পর্ব)

    মোহাম্মদ আবিদ আলী (১ম পর্ব)   মোহাম্মদ আবিদ আলী (১৯০৪-১৯৮৭ খ্রি.) ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও লেখক। জন্ম: মোহাম্মদ আবিদ আলী ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত ভায়না ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: পিতা মুন্সি মিয়াজান মল্লিক ও মাতা বুলুজান নেছা। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে মোহাম্মদ আবিদ আলী ছিলেন সবার বড়। মোহাম্মদ আবিদ আলী, এম. আকবর আলী ও মোহাম্মদ আবদুল জব্বার এই তিন সহোদর যেন একই বৃত্তে তিনটি ফুল। তাঁদের জন্মদায়িনী মা ‘রত্নগর্ভা’ জননীর সম্মানে ভূষিত। পিতা মিয়াজান মল্লিক প্রথম জীবনে মাঝি ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি স্বাধীনভাবে ছোট ছোট ব্যবসা শুরু করেন এবং এই ব্যবসার সীমিত আয়…

  • প্রাথমিক-বিদ্যালয়ের-তালিকা
    প্রাথমিক বিদ্যালয়,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় মোট ১৪৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে সুজানগর পৌরসভায় ৯টি, ভায়না ইউনিয়নে ১০টি, সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে ১৭টি, মানিকহাট ইউনিয়নে ১৫টি, নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নে ১৫টি, হাটখালী ইউনিয়নে ৮টি, সাগরকান্দি ইউনিয়নে ১৯টি, রানীনগর ইউনিয়নে ১৩টি, আহম্মদপুর ইউনিয়নে ১৬টি, দুলাই ইউনিয়নে ১৪টি, তাঁতিবন্দ ইউনিয়নে ১০টি ।   প্রতিষ্ঠাকাল অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহ: ১। ৪ ন. জোড়পুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৫৭ খ্রি.) ২। ২৩ ন. তালিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৮২ খ্রি.) ৩। ৬৫ ন. হরিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৮৬ খ্রি.) ৪। ৪৯ ন. রাইপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৮৮ খ্রি.) ৫। ৪৩ ন. মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯০৩ খ্রি.)…

  • ডা.-অশোক-কুমার-বাগচী-২
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  চিকিৎসক,  তাঁতিবন্দ,  তাঁতীবন্দ (গ্রাম),  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    ডা. অশোক কুমার বাগচী

    বিশ্বের প্রথম বাঙালি নিউরো সার্জন ডা. অশোক কুমার বাগচী উপমহাদেশের চিকিৎসাশাস্ত্রের এক অত্যন্ত পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনিই সর্বপ্রথম জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসুস্থ জীবন সম্পর্কে চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দাখিল করেন। জন্ম: ডা. অশোক কুমার বাগচীর পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত তাঁতিবন্দ গ্রামে। তিনি ১৯২৫ সালের ২৬ নভেম্বর রংপুরে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: ডা. বাগচীর পিতার নাম দ্বিজদাস বাগচি। তাঁর জন্মের সময় পিতা দ্বিজদাস বাগচী পাবনা শহরের ‘বাগচি ফার্মেসি’তে ডাক্তারি করতেন। পিতামহ ডা. কালীদাস বাগচী (এলএমএফ) ছিলেন কলকাতা মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগের নামকরা চিকিৎসক।  পিতা ও পিতামহ উভয়েই সেকালের নাম করা ডাক্তার ছিলেন। আরও পড়ুন কবি,…

  • আবু-জাফর-খান
    আহম্মদপুর,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য,  সৈয়দপুর (আহম্মদপুর)

    আবু জাফর খান

    আবু জাফর  খান  পেশায় একজন চিকিৎসক। ভাবনায় কবি, কথাশিল্পী ও সংগঠক। তাঁর পুরো নাম কে এম আবু জাফর। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য বিভাগে ডেপুটি সিভিল সার্জন পদে কর্মরত আছেন। লেখক হিসেবে আবু জাফর খান এর বিশেষত্ব, তিনি নিবিড় অন্তর অনুভবে প্রত্যহ ঘটে চলা নানান ঘটনা, জীবনের গতি প্রকৃতি, বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি, ব্যক্তিক দহনের সামষ্টিক যন্ত্রণা তুলে আনেন নান্দনিক উপলব্ধির নিপুণ উপস্থাপনায়। তাঁর লেখায় ধ্বনিত হয় বিবেক কথনের অকৃত্রিম প্রতিভাষা। তিনি তাঁর লেখায় প্রতিধ্বনিত করেন নন্দনতাত্ত্বিকতায় জীবন বোধের সমকালীন বাস্তবতা। জন্ম: কবি ও কথাশিল্পী আবু জাফর খান ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ৩১ জানুয়ারি, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার অন্তর্গত আহম্মদপুর ইউনিয়নের…

  • সুজানগর-উপজেলার-লেখকবৃন্দের-বইসমূহ
    বই পর্যালোচনা,  সাহিত্য

    সুজানগর উপজেলার লেখকবৃন্দের বইসমূহ

    সুজানগর উপজেলার লেখকবৃন্দের বইসমূহ:   লেখকবৃন্দের জন্ম তারিখের ক্রমানুসারে তালিকাটি সাজানো হয়েছে। ১. মাওলানা রইচ উদ্দিন  কোরআনের বাণী মরুবীণা সিন্ধু ও বিন্দু মুর্শিদাবাদ ভ্রমণ বিলাপ ২. মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন লোকসাহিত্য: হারামনি শিরণী (১৯৩২ খ্রি.) হাসি অভিধান বাংলা ইডিয়ম সংকলন (১৯৫৭ খ্রি.) উপন্যাস: সাতাশে মার্চ বঙ্গ সাহিত্যের ইতিহাস: বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাধনা, ৩খণ্ড (১৯৮১ খ্রি.) গানের সংকলন: শত গান (১৯৬৭ খ্রি.) ইরানের কবি (১৩৭৫ বঙ্গাব্দ) আওরঙ্গজেব (অনুবাদ, ১৯৭০ খ্রি.) রূপকথা সংকলন: ঠকামি (১৯৫৯ খ্রি.) মুসকিল আসান (২য় সংস্করণ ১৯৫৯ খ্রি.) অন্যান্য: হাসির পড়া (১৯৬৩ খ্রি.) ৩. মোহাম্মদ আবিদ আলী হাদিসের গল্পগুচ্ছ কোরানের গল্পগুচ্ছ ওসয়াতুল হাসনা চালাকি আমাদের জৈন ৪. মুহম্মদ খোয়াজউদ্দিন…

  • এম-আকবর-আলী
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গবেষক,  গোপালপুর (ভায়না),  ভায়না,  মাধ্যমিক বিদ্যালয়,  লেখক পরিচিতি,  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,  শিক্ষাবিদ,  সমাজসেবক,  সাহিত্য

    এম. আকবর আলী

    বাঙালি রেনেসাঁর অগ্রদূত এম. আকবর আলী। পাবনার কৃতী সন্তানদের মধ্যে এম. আকবর আলী প্রথম সারির একজন। শিক্ষাবিদ, গবেষক, লেখক, চিন্তাবিদ, ইতিহাসানুরাগী, ঐতিহ্য সন্ধানী, দানশীল প্রভৃতি অভিধায় তাঁকে ভূষিত করা যায়। সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সাতবাড়িয়া কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। জন্ম: এম. আকবর আলী ১৯১১ খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে জন্ম জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: পিতা মুন্সি মিয়াজান মল্লিক ও মাতা বুলুজান নেছা। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে এম. আকবর আলী ছিলেন দ্বিতীয়। মোহাম্মদ আবিদ আলী, এম. আকবর আলী ও মোহাম্মদ আবদুল জব্বার এই তিন সহোদর যেন একই বৃত্তে তিনটি ফুল।…

  • এইচএসসি-সমমান-পরীক্ষার-ফলাফল-২০২১
    পড়াশোনা

    এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল-২০২১

    সুজানগর উপজেলার সকল কলেজের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল-২০২১   ১. চিনাখড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ বাণিজ্য: পাস=৭; ফেল=১; জিপিএ-৫=১ মানবিক: পাস=৪২; ফেল=৬; জিপিএ-৫=১ বিজ্ঞান: পাস=১৯; ফেল=২; জিপিএ-৫=১১ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা=৭৪, পাস=৬৮, পাসের হার=৯১.৮৯%; জিপিএ-৫=১৩   ২. রানীনগর বিদ্যালয় ও কলেজ (ভাটিকয়া) বাণিজ্য: পাস=৮; ফেল=১ মানবিক: পাস=২০; ফেল=১ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা=২৮, পাস=২৮, পাসের হার=১০০%   ৩. সুজানগর মহিলা কলেজ বাণিজ্য: পাস=৪ মানবিক: পাস=১২৬; ফেল=৫; জিপিএ-৫=১৬ বিজ্ঞান: পাস=১১; ফেল=৩ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা=১৪৫, পাস=১৪১, পাসের হার=৯৭.২৪%; জিপিএ-৫=১৬   ৪. সরকারি ড. জহুরুল কামাল ডিগ্রি কলেজ বাণিজ্য: পাস=১২৮; ফেল=২৬; জিপিএ-৫=৭ মানবিক: পাস=২৮৬; ফেল=১০; জিপিএ-৫=২৭ বিজ্ঞান: পাস=১৩৮; ফেল=৩০; জিপিএ-৫=১৮ মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা=৬০৭, পাস=৫৫২, পাসের হার=৯০.৯৪%; জিপিএ-৫=৫২…

  • সাংবাদিক-আনোয়ারুল-হক
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  ভাষা সৈনিক

    সাংবাদিক আনোয়ারুল হক

    সাংবাদিক আনোয়ারুল হক (১৯৩৭-২০১৯ খ্রি.) ছিলেন  পাবনা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম-সম্পাদক ও সাবেক সভাপতি, দৈনিক ইত্তেফাকের প্রবীণ সাংবাদিক ও ভাষা সৈনিক। জন্ম: সাংবাদিক ও ভাষা সৈনিক  আনোয়ারুল হক ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দের ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: আনোয়ারুল হকের পিতার নাম তাজ উদ্দিন আহমেদ এবং মাতা আমিরুন নেছা। সাবেক ছাত্রনেতা নজমুল হক নান্নু এবং পাবনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক এম সাইদুল হক চুন্নু তাঁর ছোট দুই ভাই । তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। ছেলে সুশোভন হক টুটুল পাবনার সাবেক  ক্রিকেটার। শিক্ষা জীবন: আনোয়ারুল হক নিশ্চিন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ…

  • সাইফুর-রহমান
    চরদুলাই,  দুলাই,  লেখক পরিচিতি,  সাহিত্য

    সাইফুর রহমান

    সাইফুর রহমান মূলত একজন গল্পকার। মানবজীবনের বৈপরীত্য ও মনস্তাত্ত্বিক বহুমুখিতা তাঁর লেখার প্রধান উপজীব্য। জন্ম: সাইফুর রহমান ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দের ১২ ডিসেম্বর পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের চরদুলাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক জীবন: সাইফুর রহমানের পিতা জনাব মো. বজলুর রহমান পেশায় ছিলেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে দীর্ঘদিন চিফ একাউন্টস অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। চরদুলাইয়ে প্রতিষ্ঠিত “বজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়” তাঁর একক প্রচেষ্টার উজ্জ্বল উদাহরণ। মাতা বেগম হোসনে আরা রহমান একজন গৃহিণী। তিনি পিতা-মাতার একমাত্র পুত্র সন্তান। তাঁর তিন বোন রয়েছে। প্রথম বোন বদরুন নাহার শেলী। দ্বিতীয় বোন ডা. বিলকিস নাহার শিল্পী, পেশায় ডাক্তার। তৃতীয় বোন…

  • অধ্যাপক-অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ-রুহুল-আবিদ
    কৃতি ব্যক্তিবর্গ,  গবেষক,  শিক্ষাবিদ,  সমাজসেবক

    অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ

    ডা. রুহুল আবিদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের এলপার্ট মেডিকেল স্কুলের একজন অধ্যাপক। তিনি ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভস এর কার্যকরী সদস্য। এছাড়া তিনি হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ফর অল-HAEFA এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি। অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ ২০২০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত ২১১ ব্যক্তিবর্গের মধ্যে একজন। একই সঙ্গে তাঁর অলাভজনক সংস্থা HAEFA (হায়েফা) তাঁর সঙ্গে শান্তি পুরস্কারে মনোনীত হয়। জন্ম: অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ ১৯৬১ সালের ২৭ মে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাকনাম লেখন। তাঁর পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার সুজানগর পৌরসভায়। বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রাম ও ঢাকায়। ঢাকায় বাস করেছেন বিভিন্ন উপশহরে-মালিবাগ, ইন্দিরা রোড, কলাবাগান ও শ্যামলীতে। বাবা…

error: Content is protected !!